শিক্ষকদের সংবাদ সম্মেলন: যোগ্যদের শূণ্যপদে পদোন্নতির দাবি

শ্রেনি কক্ষে শিক্ষকদের পাঠদান
শ্রেনি কক্ষে শিক্ষকদের পাঠদান
ছবি: ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতিযোগ্য সব শূণ্যপদে অবিলম্বে পদোন্নতি প্রদানসহ তিন দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্যান্য দাবিগুলো হলো-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি এবং সরকারি প্রাথমিক শিক্ক্ষ দ্বারা পরিচালিত নিবন্ধনবিহীন সংগঠনগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করা।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি আউয়াল তালুকদার বলেন, ‘মামলার কারণে প্রায় আট হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এখন মামলাগুলো প্রত্যাহার কর হয়েছে। ফলে এখন পদোন্নতিতে আ‌র কোনো বাধা নেই। শিক্ষা কার্যক্রম বাধাঁহীন করতে এসব শূন্যপদ পূরণ করা জরুরি। বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে গতিশীলতা রক্ষায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ সৃষ্টি করা এখন সময়ের দাবি।’

তিনি বলেন, ‘কয়েকজন সহকারী শিক্ষক বেআইনিভাবে বিভিন্ন নামে নিবন্ধন ছাড়াই কয়েকটি সংগঠন পরিচালনা করছেন। এর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। নতুবা প্রাথমিক শিক্ষায় বিশৃংঙ্খলা দেখা দিবে।’

সমিতির মহা-সম্পাদক সালেহা আক্তার বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের একমাত্র নিবন্ধনপ্রাপ্ত সংগঠন, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। ভিন্ন নামে সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়ে সংগঠন করার কোন সুযোগ নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-সংগঠনের সহ সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান, মো.শহীদুল ইসলাম, মো. নাসির উদ্দীন, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক মমতাজ উদ্দীন, মো. কামরুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ, আব্দুল মাজেদ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সরকারি প্রধান শিক্ষক পদে ৩৫শতাংশ সরাসরি এবং ৬৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৬ সালের পর থেকে ব্যাচেলর অব এডুকেশন (বিএড) ডিগ্রিধারীদের পদোন্নতি বন্ধ রেখে শুধুমাত্র সার্টিফিকেট ইন এডুকেশন (সিইনএড) ডিগ্রিধারীদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছিল। এর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন বিএড ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষকরা।

ইউএম/