‘নতুন করে আর কোনো সড়ক নয়’

muhit
muhit
ফাইল ছবি: আবুল মাল আবদুল মুহিত

আমাদের দেশে অনেক সড়ক রয়েছে। তাই নতুন কোনো সড়কের প্রয়োজন নেই। তবে মানসম্পন্ন সড়কের প্রয়োজন রয়েছে। নতুন সড়ক নির্মাণের চেয়ে বিদ্যমান সড়কের রক্ষণাবেক্ষণে বেশি মনোযোগী হওয়া দরকার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সাথে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সভায় ই-টেন্ডারিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে বরাদ্দের ১০ শতাংশ ই-টেন্ডারিংইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারেকে শক্তিশালী করতে হলে জেলা পর্যায়ে বাজেটের কোনো বিকল্প নেই। জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নের জন্য আগামিতে জেলা পর্যায়ে বাজেট বানাতে বলা হবে। তারা তাদের বাজেটের প্রস্তাবনা নিজেরাই তৈরি করবে। এটা এখান থেকে যাবে না।

সরকারি বিভিন্ন অফিস নিয়ে তিনি বলেন, সরকারি কিছু অফিস আছে যেগুলোতে সব সময়ই চাপ কম থাকে। আবার অনেক অফিস আছে যেগুলোতে সারাক্ষণ প্রচুর চাপ থাকে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এই দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় করা হবে বলেও জানান তিনি।

পিপিপি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ সিস্টেম ঠিকমত কাজ করছে না। কিভাবে এই প্রক্রিয়া ঠিকবাবে কাজ করবে সে বিষয়ে পরিকল্পণা তৈরি করার জন্য সচিবদেরকে বলা হয়েছে।

আগামিতে এমপিও প্রক্রিয়াকে ঢেলে সাজানো হবে বলেও জানান তিনি। বর্তমান ব্যবস্থায় শুধু শিক্ষকরা এমপিও ভুক্ত হন, বেতন নেন। এতে শিক্ষা ব্যবস্থার কোনো উন্নতি হয় না। আগামিতে স্কুলের অবকাঠামো, ক্লাস রুমের পরিবেশ, শিক্ষকদের মান সবকিছুর উন্নয়নে কাজ করা হবে।

তিনি বলেন, আগামিতে প্রকল্পের ক্ষেত্রে এমনভাবে পরিকল্পনা তৈরির কথা বলা হয়েছে যাতে করে কোনো প্রকল্পে কাজ চলার সময় তা ভ্যালিডিটি না হারায়। আগমিতে প্রকল্প প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংস্কারমূলক কাজ করা হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী  আ হ ম মুস্তফা কামাল, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মনজুর হোসেন, অর্থসচিব ফজলে কবীর, শিক্ষা সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক, বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম,  পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক,  শ্রম সচিব মিকাইল শিপার ও ভূমি সচিব মো. শফিউল আলম প্রমুখ।