ইন্স্যুরেন্সে সুবাতাস

palঅনেক দিন পর ইন্স্যুরেন্স (বিমা) খাতের শেয়ারের পালে হাওয়া লেগেছে। মঙ্গলবার পর পর দ্বিতীয় দিনের মতো বেড়েছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। তবে আগের দিন লেনদেনে বড় চমক দেখা গেলেও মঙ্গলবার তা ম্লান হয়ে গেছে।

সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সামগ্রিক লেনদেন ১৫ শতাংশ বাড়লেও সাধারণ বিমা খাতে তা বেড়েছিল ১৫৮ শতাংশ। শেয়ারের মূল্য পরিবর্তনেও ছিল ধনাত্মক ধারা। এদিন ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৩৪ টি সাধারণ বিমা কোম্পানির মধ্যে ৩২ টিরই শেয়ারের দাম বাড়ে। কমে মাত্র ২ টির শেয়ারের দাম। তবে জীবন বিমা কোম্পানির ক্ষেত্রে এতোটা গতিময়তা ছিল না। এ খাতে লেনদেন কমেছিল প্রায় ৪ শতাংশ। আর দর বেড়েছিল অর্ধেক সংখ্যক  কোম্পানির।

মঙ্গলবারেও সাধারণ বিমা খাত মূল্য বৃদ্ধির ধারা ধরে রাখে। এদিন ডিএসইতে ৩৪ টি সাধারণ বিমা কোম্পানির মধ্যে ৩০ টির শেয়ারের দাম বাড়ে। কমে ৪ কোম্পানির শেয়ারের দাম। ডিএসইতে শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায়  জায়গা করে নেয় ৩ টি বিমা কোম্পানি। এগুলো হচ্ছে- সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স এবং নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। তিনটি কোম্পানিরই শেয়ারের দাম বেড়েছে ৫ শতাংশের কাছাকাছি।

মঙ্গলবার ডিএসইতে এ খাতে  ৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের শেয়ার কেনা-বেচা হয়, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৬২ শতাংশ কম।

বিশ্লেষকদের মতে, বিমা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) প্রতিষ্ঠার ফলে এ খাতে বেশ শৃঙ্খলা এসেছে। এর ফলে কোম্পানিগুলো কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা বেড়েছে। এতে কোম্পানিগুলোর আয় এবং মুনাফায় পড়েছে ইতিবাচক প্রভাব। প্রধান খাতগুলোর মধ্যে বিমা খাতের মূল্য-আয় অনুপাতও তুলনামূলক কম। বর্তমানে যে তিনটি খাতের মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ২০ এর কম তার একটি বিমা খাত। মঙ্গলবার দিন শেষে এ খাতের পিই রেশিও দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৬৯। এসব কারণে বিমা খাতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়ে থাকতে পারে।