নীলক্ষেতের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে; আহত হয়েছে ১৫ জন

Nillkhet 2রাজধানীর নীলক্ষেতে বই ব্যবসায়ীদের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এতে হল ক্যান্টিন পরিচালকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১৫জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

শনিবার বিকাল ৫টার দিকে নীলক্ষেতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে স্যার এ এফ রহমান হলের ক্যান্টিন পরিচালক বাবুল, জহুরুল হক হলের লোক প্রশাসন ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মদ, আবু সাইদ। বাকিদের নাম জানা যায়নি। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. এ এম আমজাদ আলী নীলক্ষেতের বই ব্যবসায়ীদের দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, যারা ব্যবসা করে তাদের মনমানসিকতা ব্যসায়ীক কেন্দ্রীক হতে হয়। দাম নিয়ে ঝামেলা হলেই শিক্ষার্থীদের মারধর করতে হবে এটা কোন ব্যবসায়ীক নীতি নয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে বই কেনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী নীলক্ষেতে যায়। এ সময় নীলক্ষেতের এক বই ব্যবসায়ীর সঙ্গে দাম নিয়ে তাদের বাক-বিতণ্ডা হয়। এ সময় বই ব্যবসায়ীরা এক হয়ে নুর মোহাম্মদ নামের এক শিক্ষার্থীকে আটক করে মারধর করে এবং তাদেরকে ধাওয়া দেয়।

এতে শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে দৌড়ে হলে আসে। হলে বিষয়টি জানালে প্রায় কয়েক’শ শিক্ষার্থী লাঠি, রড, হকিস্টিক নিয়ে নীলক্ষেতের খুচরা দোকানে হামলা করে। তারা দোকান ভাঙচুর এবং আগুন ধরিয়ে দেয়।

nilkhet.mahuখবর পেয়ে নিউমার্কেট, নীলক্ষেত ফাঁড়ি ও শাহবাগ থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। পরিস্তিতি শান্ত করতে  ২০-৩০ রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড.এ এম আমজাদ আলী বলেন, এরকম ঘটনা মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে। আমরা অনেকবার বলার পরেও তারা শিক্ষার্থীদের মারধর করে।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরণের ঘটনা না ঘটে সেব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এএইচ/