পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্মারকলিপি

dse

DSE-fireবাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্য (বাপুবিসজাঐ) পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতির দাবি জানিয়েছে। এ দাবিতে তারা বাংলাদেশ ব্যাংকে স্মারকলিপি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টার সময় বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের একান্ত সচিব ওসমান গনির কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে পুঁজিবাজারবান্ধব মুদ্রানীতিসহ ১০ দফা দাবি জানানো হয়।

জানা যায়,আসন্ন মুদ্রানীতিতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে তারল্য প্রবাহ বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া,পুঁজিবাজারকে সাপোর্ট দিতে ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশকে (আইসিবি) ন্যূনতম ১ হাজার কোটি টাকার সাশ্রয়ী তহবিল দেওয়া,সি.আর. আর ও এস.এল.আর হার কমানো,ব্যাংকের অলস টাকা বিনিয়োগের ব্যবস্থা করতে মনিটরিং করা এবং ব্যাংকগুলোর এক্সপোজার লিমিটেডের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময়সীমা ৩ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয় স্মারকলিপিতে ।

দেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাডজাস্টমেন্ট না করতে তদারকি, পুন:অর্থয়ানের টাকা সহজ শর্তে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের হাতে পৌঁছানোর জন্য আরোপিত শর্ত শিথিল করার দাবিও জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়,২০১০ সালে পুঁজিবাজারের অস্থিরতাকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যাংক মুনাফা তুলে নিয়েছিল।কিন্তু এই ব্যাংকগুলো বিনিয়োগে না ফেরায় বাজার তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরতে পারছে না।তাই এসব ব্যাংকগুলোকে বাজারের ক্রান্তিলগ্নে বিনিয়োগে ফেরার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতার লক্ষ্যে বিএসইসি এবং আইসিবির মাধ্যমে প্রশিক্ষণের আয়োজন,এনআরবিদেরকে পলিসি সাপোর্ট দিতে অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে নীতিমালা তৈরী এবং সরকারী খাত আইসিবির মতো ৫০ টি বেসরকারী বিনিয়োগ ব্যাংক তৈরী করতেও প্রস্তাব জানানো হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।

এ প্রসঙ্গে বাপুবিসজাঐ এর সভাপতি রুহুল আমিন অর্থসূচককে বলেন,“আমরা গভর্নরের একান্ত সচিবের নিকট আমাদের স্মারকলিপি দিয়েছি।আশা করি ২৭ জানুয়ারি ঘোষিত মুদ্রানীতিতে আমাদের প্রস্তাব পাশ হবে।”