‘১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থলসীমা-তিস্তা চুক্তি চায় দিল্লি’

  • sahin rahman
  • August 13, 2014
  • Comments Off on ‘১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে স্থলসীমা-তিস্তা চুক্তি চায় দিল্লি’
border
border
বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া।

বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া স্থলসীমা ও তিস্তা চুক্তি চুডান্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তা চুড়ান্ত করার লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বুধবার ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, সম্প্রতি দিল্লিতে দলের জাতীয় পরিষদের সভায় বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আলোচিত  হয়েছে।

ছিটমহল হস্তান্তর-সহ চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং অাসামের নেতৃবৃন্দদের  সাথে আলোচনা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।

রাজনাথ বলেছেন, ভারত সরকার এই চুক্তির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিছু আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা সব সরকারকে পালন করতে হয়, যেমন এই দুই চুক্তি।

বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনার জন্য পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের রাজ্য নেতৃত্বকে আগামী ১৬ অাগস্ট ফের দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজনাথ।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, মূলত পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম বাংলাদেশের সঙ্গে প্রস্তাবিত চুক্তি দু’টির বিরোধিতা  করে আসছে। স্থলসীমান্ত চুক্তি নিয়ে তারা জানিয়ে আসছে, ছিটমহল বিনিময় হলে ভারতকে অনেক বেশি জমি বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে হবে।

এখন মোট ১১১টি ভারতীয় ছিটমহল রয়েছে বাংলাদেশে এবং ৫১টি বাংলাদেশের ছিটমহল রয়েছে ভারতীয় এলাকায়।

দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে রাজ্য বিজেপির নেতারা বলেছিলেন, স্থলসীমা চুক্তিতে সমর্থন জানালে স্থানীয় মানুষের কাছে বিজেপির ভাবমূর্তি খারাপ হবে। তবে সে সময় বিজেপি ছিল বিরোধী পক্ষে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জিতে আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে ডাকায় পাঠান নরেন্দ্র মোদী।

সুষমা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেন, তিস্তা ও স্থলসীমান্ত চুক্তি করা নিয়ে আগের সরকারের প্রতিশ্রুতি দ্রুত রক্ষার জন্য তাঁরা সর্বতো ভাবে চেষ্টা করবেন। এ জন্য ঘরোয়া ক্ষেত্রে ঐকমত্য তৈরি করা হবে।

সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার কাজটি এ বার শুরু করে দিতে চাইছে নতুন সরকার। বাংলাদেশ চায় চলতি বছরেই চুক্তি দু’টি সম্পন্ন হোক। শেখ হাসিনার ভারত সফরে আসার কথা এ বছরেই। প্রধানমন্ত্রী মোদিও ঢাকা সফরে আগ্রহী। কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের আশঙ্কা, তিস্তা ও স্থলসীমান্ত চুক্তি দু’টি নিয়ে অগ্রগতি না হলে সফর মূল্যহীন হয়ে যাবে।