২০ বছর পর এক মঞ্চে লালু-নীতীশ

lalu- nitis
lalu- nitis
বিচ্ছেদের ২০ বছর পর আবারও এক মঞ্চে লালু প্রসাদ যাদব ও নীতীশ কুমার- ফাইল ছবি

অবশেষে সব বিতর্কের অবসান হলো। বিচ্ছেদের ২০ বছর পর আবারও এক মঞ্চে দেখা মিলল বিহারের ২ মহারথী লালু-নীতীশের।

সোমবার হাজিপুরে বিহারের আসন্ন উপ-নির্বাচনের প্রচারে মঞ্চ ভাগ করে নিলেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) প্রধান লালু প্রসাদ যাদব ও জনতা দল ইউনাইটেডের (জেডিইউ) নেতা নীতীশ কুমার।

সোমবার জি নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

৭০-এর দশকে জনতা দলের উঠতি নেতা লালু-নীতীশ পরবর্তী সময়ে নিজেদের অন্য রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। লোকসভা নির্বাচনে বিহার জুড়ে বিজেপির অভাবনীয় ফলাফল শেষ পর্যন্ত কাছাকাছি নিয়ে এল লালু-নীতীশকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক বৈরিতা ভুলে এক সঙ্গে প্রচারে নামবেন কিনা তা নিয়ে সপ্তাহভর জল্পনা-কল্পনা চলেছে। তবে আজ সব জল্পনাতেই জল ঢেলে দিলেন লালু-নীতীশ।

তারা আজ হাজিপুর ও মোহাদি নগরে যৌথ সভা করেন। আগামী সপ্তাহেও একই সঙ্গে প্রচারকার্য চালাবেন তারা। যদিও লালু-নীতীশের যৌথ সভা লোক টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে লালুর আরজেডিকে গদিচ্যুত করে বিহারে সরকার তৈরি করেছিলেন নীতীশ কুমার।

আগামী ২১ অগাস্ট বিহারে উপনির্বাচনের জন্য জোট বেঁধেছে কংগ্রস, আরজেডি ও জেডিইউ। নীতীশ ও লালুর দল ৪টি আসনে ও কংগ্রেস ২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

আসছে বছরের বিধানসভা নির্বাচন যদি ফাইনাল হয় তাহলে এই উপনির্বাচন যথার্থই হবে সেমিফাইনাল।

এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিহারে ক্ষমতাসীন জেডিইউ মাত্র ৭টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে, জেডিইউ-এর একদা জোটসঙ্গী বিজেপি ৪০টির মধ্যে ৩১টি আসনই ছিনিয়ে নিয়েছে।

বিধানসভাতে যাতে লোকসভার ফলাফলের পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্যই কোমর বেঁধে নেমেছেন নীতীশ। এক সময়ের শত্রু লালু প্রসাদের দিকে বাড়িয়ে দিয়েছেন জোটের হাত। আর নিজের প্রায় হারিয়ে যাওয়া অস্তিত্ব ফিরে পেতে নীতীশের আহ্বানে সাড়া দিতে দেরি করেননি লালুও।

এএসএ/