মোবাইল কোর্টের অভিযানে হয়রানির অভিযোগ

  • Emad Buppy
  • July 16, 2014
  • Comments Off on মোবাইল কোর্টের অভিযানে হয়রানির অভিযোগ
Olympia

মোবাইল কোর্টের অভিযানে হয়রানির করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন হোটেল, রেঁস্তোরা ও মিস্টি ব্যবসায়ীরা।

Olympia
বাংলাদেশ হোটেল রেঁস্তোরা ও মিস্টি ব্যবসায়ী সমিতি আয়োজিত ‘খাদ্যে ভেজালবিরোধী’ সেমিনার।

বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডের অলেম্পিয়া হোটেলে বাংলাদেশ হোটেল রেঁস্তোরা ও মিস্টি ব্যবসায়ী সমিতি আয়োজিত ‘খাদ্যে ভেজালবিরোধী’ সেমিনারে তারা এই অভিযোগ করেন।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, জেনে বুঝে কোনো ব্যবসায়ী খাদ্যে ভেজাল কিংবা কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করেন না।

হোটেল শ্রমিকদের পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের জন্য এফবিসিসিআই সহয়তা করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রদান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি.জে. আব্দুল্লাহ আল হারুন বলেন, শত্রুতা করে কোনো ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয় না। বিশুদ্ধ খাদ্য আইন-২০১৩ এর বাস্তবায়ন হলে জরিমানা বহুলাংশে কমে যাবে।

হোটেল ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, হোটেল ও রেঁস্তোরায় ভেজালবিরোধী অভিযানে ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। ইচ্ছেমতো জরিমানা করায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসছে।

তারা বলেন, সিটি কর্পোরেশন, র‌্যাব, পুলিশ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বিএসটিআইসহ ৮টি সরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। যারা অভিযান পরিচালনা করছেন তাদের বিশুদ্ধ খাদ্যের বিষয়ে সঠিক প্রশিক্ষণ না থাকায় ব্যবসায়ীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে।

মোবাইল কোর্ট ও খাদ্য আইন পরস্পর সাংঘর্ষিক দাবি করে তারা জানান, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা কিংবা কোনো নীতিমালা পাওয়া যায়নি। তবে আমরা নিয়ম মেনে কর দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছি। প্রশিক্ষণ ছাড়াই টাকার মাধ্যমে এখন লাইসেন্স পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন হোটেল ব্যবসায়ীরা।

প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে তারা বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের শোধরানোর সুযোগ পাওয়া যায়।

সমিতির সভাপতি খন্দকার রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শহীদুল্লাহ সিকদার, বিএসটিআইয়ের পরিচালক কমল প্রসাদ দাস প্রমুখ।

এসইউএম/ এমই/