রেড জোনে শেষ হল সপ্তাহ

DSE_Suchak
ডিএসই নিম্নমুখী সূচক

অস্থিরতা থেকে বের হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না দেশের পুঁজিবাজার। গত সপ্তাহে সব ধরনের মূল্য সূচক ও লেনদেনের নিম্নমুখী প্রবণতায় পার করেছে এই বাজার।বাজারের সবগুলো সূচকই ছিল লাল। আগের সপ্তাহের মতো লাল বৃত্তের ভেতরেই শেষ হয়েছে সপ্তাহের লেনদেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আগের সপ্তাহের তুলনায় দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ৫ শতাংশ। দৈনিক গড় লেনদেন ৩৮২ কোটি টাকা থেকে ৩৬৩ কোটি টাকায় নেমে আসে। প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স সোয়া ৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৫৫৫ পয়েন্ট থেকে ৪ হাজার ৪১৬ পয়েন্ট হয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কিছু কারণে বাজার গতি হারিয়েছে। গত ৩১ মার্চ শেষ হওয়া প্রান্তিকে ব্যাংক ছাড়া বাকী কোম্পানিগুলো খুব একটা ভালো মুনাফা করতে পারে নি। আর গত বুধবার তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালকদের ২ শতাংশ শেয়ার ধারণের আইনকে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। এ কারণেও বিনিয়োগকারীদের মনে একটা নেতিবাচক ধারণা তৈরী হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, পুরো সপ্তাহজুড়েই সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। গত সপ্তাহে মোট চার কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহের চেয়ে ৪৫৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকার লেনদেন কমেছে ডিএসইতে। গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪৫৫ কোটি ৬৬ লাখ ৯ হাজার ৬৯৩ টাকার। এর মধ্যে‌‌‘‌‌এ‌’ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮০ দশমিক ৮৫ শতাংশ,‘বি’ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩ দশমিক ৬৪ ‘এন’ক্যাটাগরির ১১ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই ব্রড সূচক বা প্রধান সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বা ১৩৮ দশমিক ১৬ পয়েন্ট। এই সূচক সপ্তাহের প্রথম দিনে ছিল ৪ হাজার ৫৫৫ পয়েন্ট। আর সপ্তাহ শেষে অবস্থান করে ৪ হাজার ৪১৬ পয়েন্টে। আর শরীয়াহ সূচক বা ডিএসইএস সূচক কমেছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বা ২৮ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। ১ হাজার ১০২ পয়েন্ট থেকে কমে এই সূচক দাঁড়ায় ৯৮৪ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই৩০ সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৭০শতাংশ বা ৬১ দশমিক ৬২ পয়েন্ট। ডিএসই৩০ সূচক ১ হাজার ৬৬৬ পয়েন্ট থেকে কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৬০৪ পয়েন্টে।

 

এসএ/