খুলনায় গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর নির্মিত হচ্ছে

খুলনা
খুলনা
মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর বাস্তবায়ন কমিটির সংবাদ সম্মেলন

খুলনায় বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর নির্মিত হচ্ছে। আগামি ১৭ মে শনিবার আর্কাইভ ও জাদুঘরের উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর উদ্যোগে এ জাদুঘর নির্মিত হবে। প্রাথমিকভাবে নগরীর ৩৩৪ নং শেরে বাংলা রোডস্থ ময়লাপোতা মোড়ে প্রয়াত চিকিৎসক ডা.মো.নাসিমের বাড়ির নীচতলায় দুইট কক্ষ ভাড়া নিয়ে আর্কাইভ ও জাদুঘরের যাত্রা শুরু হবে। পরবর্তীতে সরকারিভাবে বাড়িবরাদ্দ পাওয়া গেলে সেখানে স্থায়ীভাবে আর্কাইভ ও জাদুঘর গড়ে তোলা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ১৯৭১ গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনী খুলনার উপদেষ্টা ডা.শেখ বাহারুল আলম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সভাপতি বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড. মুনতাসির মামুন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামি১৭ মে ১৯৭১ গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। এ উপলক্ষে ওই দিন বিকেল ৪টায় নগরীর বিএমএ মিলনায়তনে একাত্তরের গণহত্যা ও নির্যাতন সম্পর্কিত তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত খাকবে। এছাড়াও একই দিন সকাল ১০টায় খুলনার খালিশপুরে নয়াবাটি মুন্সী বাড়িতে ১৯৭১ এর ৭ এপ্রিল সংঘটিত গণহত্যায় শহীদদেরকবর চিহ্নিতকরণ ও স্মৃতিফলক স্থাপন করা হবে।

এসকল অনুষ্ঠানমালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ প্রফেসর ড.মুনতাসির মামুন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সভাপতি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির, চিত্র শিল্পী হাশেম খান ও স্থপতি রবিউল হুসাইন।

মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত অনেক দলিল, তথ্য নথিপত্র, লিফলেট, বিশেষ স্থানের ছবি, মুক্তিযোদ্ধার পরিচিতি, গণহত্যাস্থলের বিবরণ, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত কোন উপকরণ, নির্যাতিত কোন ব্যক্তির পরিচয় সাক্ষাতকার প্রভৃতি দিয়ে আর্কাইভ প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার হাত সম্প্রসারণ করার আহ্বান জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সাকি/