মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩২, কমেনি আগুনের তীব্রতা

  • sahin rahman
  • May 14, 2014
  • Comments Off on মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩২, কমেনি আগুনের তীব্রতা
mine
mine
কয়লা খনি থেকে বেঁচে যাওয়া আহত শ্রমিক- (ছবি বিবিসি)

বিস্ফোরণের একদিন পরও আগুনের তীব্রতা কাটেনি তুরস্কের কয়লা খনিতে। বরং অাগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে যেমন উত্তপ্ত লাভা উৎক্ষেপিত হয় তেমনি সেখানে দ্বিগুণ বেড়েছে অগ্নিশিখা। এদিকে বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩২ জনে পৌঁছেছে। বুধবার দুপুরের দিকে দেশটির বিদ্যুত ও জ্বালানিমন্ত্রী এ খবর নিশ্চিত করেছেন। খবর সিএনএন ও বিবিসির।

উদ্ধারকারীরা বলছে, দুর্ঘটনার সময় খনিটিতে ৭৮৭ জন খনি শ্রমিক কাজ করছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, মাটির এক কিলোমিটার নিচে খনিতে এখনো আটকা রয়েছে ২’শর মতো শ্রমিক। বাকিরা সবাই নিখোঁজ। অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজ এখনও চলছে। তবে এরই মধ্যে মৃত্যুপুরী থেকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ৯৩ জনকে ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্কের মানিসা প্রদেশের সোমা শহরে এই খনিটিতে মঙ্গলবার ত্রুটিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার থেকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ব্যক্তি মালিকানাধীন এই খনিটি রাজধানী আঙ্কারা থেকে ৪৫০ কি.মি পশ্চিমে অবস্থিত।

ওই মন্ত্রী তানের ইলডিজ বলেছেন, কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়া এ হতাহতের কারণ হতে পারে। মৃতের সংখ্যা আরও বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে মৃতের স্বজনরা ওই এলাকায় ভিড় জমিয়েছে। পুলিশও সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

একজন খনি শ্রমিকের মা আর্তনাদ করছিলেন, ‘আমি আমার ছেলের পথ চেয়ে বসে আছি, তোমরা আমার বুকের মানিককে ফিরিয়ে দাও। আমি আর কিচ্ছু শুনতে চাই না। এদিকে এ দুর্ঘটনার কারণে প্রধানমন্ত্রী রেসেপ তায়েপ এর্দোগান তার আলবেনিয়া সফর বাতিল করেছেন। তার পরিবর্তে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন বলে জানা গেছে।
এর আগে ১৯৯২ সালে দেশটিতে সবচেয়ে ভয়াবহ খনি দুর্ঘটনায় ২৭০ জন নিহত হয়েছিল।

এস রহমান/