ব্যক্তিগত শুনানিতে সম্মত বেসিক ব্যাংকের এমডি

  • syed baker
  • May 14, 2014
  • Comments Off on ব্যক্তিগত শুনানিতে সম্মত বেসিক ব্যাংকের এমডি
BASIC-Bank-Limited-logo
BASIC-Bank-Limited-logo
বেসিক ব্যাংকের লোগো

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত হতে সম্মতি জানিয়েছেন বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফখরুল ইসলাম। বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে বেসিক ব্যাংক থেকে একটি সম্মতিপত্র কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে এসেছে। চিঠিতে তিনি ব্যক্তিগত শুনানিতে উপস্থিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। ব্যাংকের অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে গঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে তার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আগামি ১৪ মে’র মধ্যে তাকে কেন অপসারণ করানো হবে না তা জানাতে ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজই ছিল তার শেষ সময়।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষরের পরও একাধিক আর্থিক অনিয়ম হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অপসারণের সর্বশেষ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাকে ব্যক্তিগত শুনানির জন্য হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বেসিক ব্যাংকের বিরুদ্ধে ক্রমাগত নানা ধরণের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠায় তা বন্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করে বেসিক ব্যাংক। গত বছরের জুলাই মাসে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, কোন ঋণ দেওয়ার আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে গুলশানসহ কয়েকটি শাখার মাধ্যমে নতুন করে ঋণ দেয় ব্যাংকটি। একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ডিঙ্গিয়ে মো. রুহুল আলম ও মোহাম্মদ সেলিমকে ডিএমডি হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এসব অনিয়মের অভিযোগে বেসিক ব্যাংকের এমডিকে কেন অপসারণ করা হবে না তা জানতে চেয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে নোটিশ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

নোটিশে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে গুলশানসহ কয়েকটি শাখার মাধ্যমে নতুন করে ঋণ অনিয়মের কারণ জানাতে বলা হয়।

ব্যাংকের একটি সূত্র জানিয়েছে, ওই নোটিশের জবাবে বেসিক ব্যাংকের পক্ষ থেকে যে উত্তর দেওয়া হয়েছে তাকে অত্যন্ত দায়সারা জবাব মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাই জবাবে সন্তুষ্ট হতে না পেরে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।