নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিচার হবে: আমু

আমু

আমু‘নারায়ণগঞ্জে ৭জনকে হত্যার ঘটনার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও বিচার হবে। এ ঘটনার বিচারে সরকার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কাউকে ছাড় দেবে না। এ বিচার নিয়ে কোনা রাজনীতিও হবে না’।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে শহীদ আহ্সান উল্লাহ্ মাস্টার স্মৃতি পরিষদ আয়োজিত শ্রমিক নেতা শহীদ আহ্সান উল্লাহ্ মাস্টারের ১০ম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ‘সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন।

আমু বলেন, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের বক্তব্যের পরই নারায়ণগঞ্জের গুম-খুন বেড়ে গেছে। ২০০৮ সালের পর থেকে বিএনপি যে ভাষায় কথা বলে তা কোনো সাংবিধানিক ভাষা নয়। এটা অস্ত্রের ভাষা। দেশের সাংবিধানিক শূণ্যতা সৃষ্টির লক্ষ্যেই তারা মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান ও শাসন ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে বলেও জানান এই মন্ত্রী।

তিনি বলেন, আহসান উল্লাহ্ মাস্টার মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্ছার ছিলেন তাই তাকে হত্যা করা হয়েছিল। বিএনপি শাসন আমলে ৩০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল।

বিরোধী দলকে গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা গণতন্ত্রের পথে থাকুন এবং গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলুন। আপনারা গণতান্ত্রিক ভাষায় সমালোচনা করলে আমরা দোষ হিসেবে ধরবো না। আর যদি আপনারা নৈরাজ্য সৃষ্টি করেন তাহলে আমরা জনগণের জান মালের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কঠোর হতে বাধ্য হবো।

দেশে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমেরিকাতে যেখানে মন্দা চলছে বাংলাদেশ সেখানে এগিয়ে যাচ্ছে। কিছু দিন পূর্বে গার্মন্টর্স শ্রমিকদের মুজুরি ৫হাজার ৩শত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশ যদি এভাবে এগিয়ে যায় তাহলে আমরা ২০২১ সালের আগেই মধ্য আয়ের দেশে পরিনত হবো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক বলেন, তারেক জিয়ার ‘খোয়াব ভবন’র অপকর্মের প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ায় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল বাতেনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিলস এর সভাপতি হাবিবুর রহমান সিরাজ, গাজীপুর জেলা প্রশাসক আক্তারুজ্জামান, আহ্সান উল্লাহ্ মাস্টারের ছেলে জাহিদ আহসান রাসেল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান প্রমুখ।

জেইউ/সাকি