বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী পেরুতে!

  • sahin rahman
  • May 5, 2014
  • Comments Off on বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী পেরুতে!

old women3এবার নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী বলে দাবি করেছেন পেরুর ফিলোমিনা তাইপে মেণ্ডোজা। তিনি জানান, তার বয়স এখন ১১৬ বছর। সম্প্রতি ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মেণ্ডোজা বলছেন, এতোদিন পর্যন্ত তার বেঁচে থাকার রহস্য হচ্ছে তিনি নিজের বাগানের টাটকা শাকসবজি, দুধ, আলু, পনির, শিম ও ছাগলের মাংস খান। তিনি আরও বলেন, চরম দারিদ্রতার মাঝেও নিজেই কায়িক পরিশ্রম করে বেঁচে আছেন। এমনকি এই পরিশ্রমের জন্যই তার নয় সন্তানকে মানুষ করতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।

পেরু সরকার বলছে, পরিচয়পত্রে মেণ্ডোজার জন্মতারিখ ১৮৯৭ সালের ২০ ডিসেম্বরে রয়েছে। কিন্তু এর আগে গিনেজ রেকর্ডধারী জাপানের বয়স্ক নারী মিসাও ওয়াকাওয়ার জন্ম তারিখ দেওয়া হয়েছে ১৮৯৮ সালের ৫ মার্চ। সে হিসেবে মেণ্ডোজা তার চেয়ে আড়াই মাসের বড়।

তবে ক্যালিফোর্নিয়ার একদল বিশেষজ্ঞ বলছেন, মেণ্ডোজা যে দাবি করেছেন তা একেবারেই সত্য নয়। এ জন্য যথেষ্ট প্রমাণপত্রেরও দরকার আছে বলে মনে করেন তারা।

তারা আরও জানিয়েছেন, বয়স সনাক্তকরণের পরই প্রমাণিত হবে মেণ্ডোজা আসলেই সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি কি না। গবেষকরা বলেছেন, যদি এ তথ্য সত্য হয়, তাহলে মেণ্ডোজা ১১০ বয়সীদের দলে অন্তর্ভুক্ত হবেন যেখানে ৭৪ জনের মধ্যে নারী রয়েছে মাত্র চারজন।

এ সম্পর্কে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. স্টিফেন কোরস জানান, সত্যিকার বয়স প্রতিষ্ঠা করতে হলে তিনটি বিষয় দরকার যেমন-সরকারের দেওয়া জন্মতারিখ, বিয়ের সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয়পত্র। এই তিনটির মধ্যে যে কোনো একটি থাকলেই সেটাই সত্য বলে ধরে নেওয়া হবে।

সে হিসেবে মেণ্ডোজার পরিচয়পত্রে দেওয়া জন্ম তারিখ থেকে এ তথ্য সত্য। তারপরও মেণ্ডোজা সত্যিকার অর্থেই বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি কিনা তার সত্যতা প্রমাণের জন্য আবারও তদন্ত করতে শুরু করেছে জর্জিয়ার আটলান্টার একদল গবেষক।

এদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষক দল পেরু সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন এটা প্রকাশ না করে।