ফের বিবর্ণ বিধ্বস্ত চেহারায় ব্যাংকিং খাত

bank sector

bank sectorআগের সপ্তাহে একটু ঝলক দেখালেও আবার আগের চেহারায় ফিরে গেছে ব্যাংকিং খাত। সেই বিধ্বস্ত, বিবর্ণ। আবার প্রায় শতভাগ শেয়ারের দর হারানো। গত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তা-ই ঘটেছে। কয়েকটি ব্যাংকের আয়ের ধনাত্মক প্রবৃদ্ধিও খাতটির পতন ঠেকাতে পারেনি। তালিকাভূক্ত ৩০ ব্যাংকের মধ্যে দর হারিয়েছে ২৯ টি। দর কমেছে দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ পর্যন্ত। ব্যাংকগুলোর মধ্যে ১১ টি বা ৩৩ ভাগের শেয়ারের দাম কমেছে ৫ শতাংশের বেশি।

নতুন বছরে এখন পর্যন্ত ৪ টি ব্যাংক তাদের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আলোচিত প্রান্তিকে চারটিরই আয় বেড়েছে। এর মধ্যে আইএফআইসিব ব্যাংকের শেয়ার প্রতি আয় বা ইপিএস ১৩ পয়সা থেকে বেড়ে ১ টাকা ১৫ পয়সা হয়েছে। ইপিএসের প্রবৃদ্ধি প্রায় ৭৮৫ শতাংশ। এবি ব্যাংকের ইপিএস ১০২ শতাংশ বেড়ে ৪১ পয়সা থেকে ৮৩ পয়সা হয়েছে। পূবালী ব্যাংকের ইপিএস ৩৭ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৬ পয়সা। ইপিএসের প্রবৃদ্ধি ৭৮ শতাংশ। যমুনা ব্যাংকের ইপিএস ৬৪ শতাংশ বেড়ে ১১ পয়সা থেকে ১৮ পয়সা হয়েছে। এ চার ব্যাংকের আয়ের প্রবৃদ্ধি সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির আভাস দিচ্ছে। কিন্তু এ আভাসেও আলোকিত হয়নি খাতটির মুখ।

আগের সপ্তাহে ব্যাংকিং খাতে গড়ে শেয়ারের দাম বেড়েছিল সাড়ে ৬ শতাংশ। গত সপ্তাহে তার প্রায় পুরোটাই হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। এ সপ্তাহে গড়ে শেয়ারের দাম কমে সাড়ে ৪ শতাংশ।যে চারটি ব্যাংক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাদের মধ্যে আইএফআইসি ও এবি ব্যাংকের শেয়ারের দাম কমে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ করে। যমুনা ব্যাংক শেয়ারের দর হারায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। পূবালী ব্যাংকের শেয়ারের দাম দশমিক ৭ শতাংশ কমে।

আলোচিত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দর হারায় সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল)। এ ব্যাংকটির শেয়ারের দাম কমে ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ। এক্সিম ব্যাংকের শেয়ার দর হারায় ১২ দশমিক ৮ শতাংশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ১০ দশমিক ৫ শতাংশ দর হারায়। আর ৫ শতাংশের বেশি দর হারানো ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছিল ওয়ান ব্যাংক (৬.৫), ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক (৬.২%), মার্কেন্টাইল ব্যাংক (৫.৮%) এবং ইউসিবিএল (৫.২%)। এ সপ্তাহে একমাত্র প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ারের দাম বাড়ে (৫.৮%)