শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার অভিযোগ ন্যাপের

ন্যাপ

ন্যাপশিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে শিক্ষামন্ত্রী নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে চায় বলে মন্তব্য করলেন ন্যাপ ভাসানীর কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান শেখ আনোয়ারুল হক।

মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ ভাসানী) আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন।

শিক্ষামন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে শেখ আনোয়ারুল বলেন, পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়।  এ বিষয়ে জনগণের কাছে কি জবাব দেবেন তিনি। তিনি  তো পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রীকে অনুরোধ করি এগুলা ছেড়ে দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান। শিক্ষা ক্ষেত্রটা ঠিক করুন। সুশিক্ষার ব্যবস্থা করুন।

তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গ্রামে গেলে দেখা যায় দিনে ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। অথচ সরকার নাকি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এখানেও সাধারণ জনগণের সাথে প্রতারণা করছে তারা।

এ সময় ১৯ দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কিছু সুবিধাবাদী মানুষ ১৯ দলে ঢুকে পড়েছে যারা সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা না করে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এদের কারণেই জোট থেকে বের হয়ে এসেছি। ১৯ দলে থাকলে সাময়িক সম্মান ও সুখ পাওয়া যেত কিন্তু দেশের জন্য কিছুই করা যাবে না।

মন্ত্রী এমপি হতে চাই না মানুষের পাশে দাড়াতে চাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি জনগণের জন্য কিছু করতে চাই বলে ১৯ দল থেকে বের হয়ে এসেছি। আশা করি জনগণও আমার পাশে থাকবে।

মাওলানা ভাসানী সম্পর্কে ন্যাপের এই নেতা বলেন, আমরা বাংলার দালাল। মাওলানা ভাসানী চীন বা পাকিস্তানের দালাল ছিলেন না তিনি বাংলার দালাল ছিলেন। আমরা তার অনুসারী।

উল্লেখ্য, এই কর্মী সভায় খালেদ শাহরিয়ারকে সভাপতি, কামরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক, মো. মিলনকে সাংগঠনিক সম্পাদক ও হেলাল উদ্দিনকে কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ঢাকা মহানগর কমিটি গঠন করা হয়।

সংগঠনের ঢাকা মহানগরীর আহ্বায়ক খালেদ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন, ন্যাপের কেন্দ্রীয় মহাসচিব হাসরত খান ভাসানী, যুগ্ম মহাসচিব ইমরুল কায়েস, যুগ্ম মহাসচিব সাধারণ সম্পাদক মিয়া সাদেকুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন মুন্না, সহ-সভাপতি এম আখতারুজ্জামান, সহ-সভাপতি আব্দুল হাই সরকার প্রমুখ।

জেইউ/সাকি