চাঁদপুর শহরে অঘোষিত সিএনজি স্ট্যান্ড

সিএনজি

সিএনজিচাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার-নতুনবাজার সংযোগ সেতুর নতুন বাজার অংশে চলছে সিএনজি অটোরিক্সার রাজত্ব। সরজমিনে দেখে প্রথমে মনে হলো হয়তো এটা কোন এক বাসস্ট্যান্ড। পথচারী আর যাত্রীদের হয়রানির নেই কোন শেষ। রাস্তা দিয়ে কোন মতে হেঁটে যাওয়াটাও মুশকিল। কারণ এ রাস্তায় আসা যাওয়া করা মানেই টানা হেচড়ার শিকার হতেই হবে। রাস্তার মাঝখানে সব সময় থাকে ফিটনেস বিহীন মাইক্রোবাস আর সিএনজি অটোরিক্সা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব জায়গায় তারা (সিএনজি চালকরা) অবাধে বিচরণ করে ট্রাফিক পুলিশের ছত্রছায়ায়। একাধিক সিএনজি চালকের সাথে আলাপকালে জানা গেছে, প্রতি মাসে ট্রাফিক পুলিশকে মাসোয়ারা দিতে হয়। এছাড়াও প্রতিদিন লাইনে দিতে হয় সিএনজি প্রতি ৫০ টাকা। সিএনজি চালকদের অভিযোগ তারা সব জায়গায় চাঁদা দিয়ে যাচ্ছে তাদের তেমন কোন উপকারে আসছে না। প্রতিদিন শহরে গাড়ি ঢুকলেই বিভিন্ন জায়গায় দিতে হয় চাঁদা। পৌরসভায় দিতে হয়, সিএনজি-অটোরিক্সা চালক কল্যাণ সমিতিতে দিতে হয়, সিএনজি অটোরিক্সা মালিক সিমিতিকে দিতে হয়, সব জায়গায় দিতে হয় টাকা। এক প্রশ্নের জবাবে একাধিক সিএনজি চালক বলেন, আমরা বহু জায়গায় চাঁদা কেন দেই তা নিজেরাও জানি না। সবাই চাঁদা দিতে দিতে এটা একটা নিয়মে পরিণত হয়েছে। যদি চাঁদা না দেয়া হয়, তাহলে শহরে গাড়ি চালানো যায় না। তাই বাধ্য হয়েই চাঁদা দিয়ে থাকি।

এ ব্যাপারে পথচারী ও যাত্রীরা জানায়, এসব মাইক্রোবাস অধিকাংশই ফিটনেস বিহীন এবং ঝুকিপূর্ণ। তারা আরও জানান, পালবাজার সংলগ্ন সংযোগ সেতুর গোড়ায় চলাচল করতে বেশ ভোগান্তিতেই পড়তে হয়। কারণ এখানে খোলামেলা জায়গা থাকলেও প্রকৃত পক্ষে সিএনজি আর মাইক্রোবাসের রাজত্বের কারণে চলাচল করতে বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে।

যানজট মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী মহল।

এসএমজে/সাকি